NEW :
Loading contents...

   'ইলিয়াস' গল্প : গল্পকার লিও তলস্তয়   

      (নবম শ্রেণি --- 'সাহিত্য সঞ্চয়ন')

 [তর্জমা করেছেন : গল্পকার মণীন্দ্র দত্ত]

১) 'ইলিয়াস' গল্পটির রচয়িতা হলেন --- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়।

২) 'ইলিয়াস' গল্পটির তর্জমা করেছেন --- গল্পকার মণীন্দ্র দত্ত।

৩) 'ইলিয়াস' গল্পটি নেওয়া হয়েছে লিও তলস্তয়ের --- 'Twenty Three Tales' নামক গল্প-সংকলন গ্রন্থ থেকে।

৪) 'ইলিয়াস' গল্পটি রচিত হয় --- ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে।

৫) ইলিয়াস বসবাস করত --- পশ্চিম রাশিয়ার উফা প্রদেশে।

৬) ইলিয়াস ছিল একজন --- বাসকির।

৭) ইলিয়াসের বিয়ের কত বছর পর তার বাবা মারা যান?

★উত্তর --- এক বছর পর।

৮) ইলিয়াসের বাবা মারা যাওয়ার সময় ইলিয়াস ছিল --- না ধনী না দরিদ্র।

৯) "এই তার যা কিছু বিষয়সম্পত্তি" --- কার?

★উত্তর --- ইলিয়াসের।

১০) "এই তার যা কিছু বিষয়সম্পত্তি" - সেগুলি হল --- সাতটা ঘোটকী, দুটো গোরু, কুড়িটা ভেড়া।

১১) ইলিয়াসের প্রচুর সম্পত্তি বলতে বোঝানো হয়েছে --- দু-শো ঘোড়া, দেড়-শো গোরু-মোষ, বারো-শো ভেড়া।

১২) কত বছরের পরিশ্রমে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি বানিয়েছিল?

★উত্তর --- ৩৫ বছর।

১৩) ইলিয়াসের ভাড়াটে মজুরানিরা যে কাজগুলি করত --- দুধ দোয়া এবং কুমিস, মাখন ও পনির বানানো।

১৪) "ইলিয়াসের তখন খুব বোলবোলাও" - 'বোলবোলাও' শব্দের অর্থ --- হাঁকডাক।

১৫) ইলিয়াসের সুদিনে তার বাড়িতে বেশি সংখ্যক অতিথি এলে কী মারা হত?

★উত্তর --- ঘোটকী।

১৬) ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম কী?

★উত্তর --- শাম-শেমাগি।

১৭) ইলিয়াসের সন্তান বলতে ছিল --- দুই ছেলে, এক মেয়ে।

১৮) ইলিয়াস যখন গরিব ছিল --- ছেলেরা তার সঙ্গে কাজ করত।

১৯) ইলিয়াসের বড়ো ছেলে মারা গিয়েছিল --- মারামারির ঘটনায়।

২০) ইলিয়াসের যে বউমা ঝগড়াটে ছিল সে হল --- ছোটো বউমা।

২১) ইলিয়াস বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল --- ছোটো ছেলেকে।

২২) ইলিয়াস ছোটো ছেলেকে বিতাড়িত করলেও সঙ্গে দিয়েছিল --- একটি বাড়ি, কিছু গোরু-ঘোড়া।

২৩) ইলিয়াসের অনেকগুলি ভেড়া মরে গিয়েছিল --- ভেড়ার পালে মড়কে লেগে।

২৪) ইলিয়াসের ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করেছিল --- কিরবিজরা।

২৫) ইলিয়াস কত বছর বয়সে সর্বহারা হয়ে পড়েছিল?

★উত্তর --- ৭০ বছর বয়সে।

২৬) ইলিয়াস বৃদ্ধ বয়সে সর্বহারা হয়ে যার বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছিল --- মহম্মদ শা।

২৭) "ইলিয়াস প্রতিবেশীকে ধন্যবাদ দিল।" --- প্রতিবেশীটি কে?

★উত্তর --- মহম্মদ শা।

২৮) মহম্মদ শার বাড়িতে আগত অতিথিদের মধ্যে একজন ছিলেন --- মোল্লাসাহেব।

২৯) "একসময় সে এ তল্লাটের সবচেয়ে ধনী ছিল" --- কে?

★উত্তর --- ইলিয়াস।

৩০) "ভাগ্য যেন চাকার মতো ঘোরে; একজন উপরে ওঠে তো আর একজন তলায় পড়ে যায়" --- বক্তা কে?

★উত্তর --- বাড়ির এক অতিথি।

৩১) "বাবাই, একবার এদিকে এসো তো।" --- বাবাই বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

★উত্তর --- ইলিয়াসকে।

৩২) "এ বিষয়ে তিনিই পুরো সত্য বলতে পারবেন।" --- কার কথা বলা হয়েছে?

★উত্তর --- শাম-শেমাগির।

৩৩) "পঞ্চাশ বছর এই বুড়ো আর আমি একত্র বাস করেছি" --- 'আমি' বলতে কে?

★উত্তর --- শাম-শেমাগি।

৩৪) ইলিয়াস ও শাম-শেমাগি তাদের কত বছরের ধনী জীবন কাটানোর কথা বলেছেন?

★উত্তর --- ৫০ বছর।

৩৫) "...তখন আমরা পেয়েছি সত্যিকারের সুখ; আজ আর কিছুই চাই না।" --- 'তখন' বলতে কোন্ সময়কে বোঝানো হয়েছে?

★উত্তর --- মহম্মদ শার বাড়িতে ভাড়াটে মজুর হিসেবে কাটানো দু-বছর।

৩৬) ইলিয়াস দম্পতির কখন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করার সময় ছিল না?

★উত্তর --- ধনী জীবনে।

৩৭) "দুশ্চিন্তারও অন্ত ছিল না।" --- কী নিয়ে দুশ্চিন্তা?

★উত্তর --- আতিথেয়তা নিয়ে।

৩৮) "সেও তো পাপ।" --- কোন্ কাজ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

★উত্তর --- মজুরদের উপর কড়া নজরদারি।

৩৯) "ইলিয়াস যা বলল সবই সত্য এবং পবিত্র গ্রন্থে লেখা আছে" --- কে বলেছেন?

★উত্তর --- মোল্লাসাহেব।

৪০) ইলিয়াস ও তার স্ত্রী মহম্মদ শার বাড়িতে কীসের মতো কাজ করত?

★উত্তর --- ভাড়াটে মজুরের মতো।

৪১) মহম্মদ শার বাড়িতে আসা আত্মীয়দের মধ্যে একজন ছিলেন --- মুসলিম পণ্ডিত, পুরোহিত বা মোল্লা।

৪২) মহম্মদ শার বাড়িতে আসা অতিথিদের মতে ভাগ্য ঘোরে --- চাকার মতো।

৪৩) "তামাশা করছি না" --- কে এই কথা বলেছিল?

★উত্তর --- সর্বহারা বৃদ্ধ ইলিয়াসের স্ত্রী শাম-শেমাগি।

 ¤ তথ্যঋণ :-  'বাংলা শিক্ষক' (নবম শ্রেণি) --- ড. অমল পাল ও ড. প্রিয়তোষ বসু।

★প্রকাশনা সংস্থা :- 'ছায়া প্রকাশনী', ১, বিধান সরণি, কলকাতা - ৭০০০৭৩।

  ¤ আরও দেখুন :-  


  • আলোচক : সৌম্য মাইতি
  • যোগাযোগ : ৬২৯০৩৭৭১৩৪
  • S.L.S.T  বাংলা অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে চাইলে ফোন করে যোগাযোগ করুন আমার ৬২৯০৩৭৭১৩৪ নম্বরে, অথবা আমার WhatssApp-তে ম্যাসেজ করুন ৮৭৬৮৮৩০২৩০ নম্বরে। ধন্যবাদ।

This is a premium content, you can continue reading this content in our Android App. Click the button below to continue. alert-info

Post a Comment

Previous Post Next Post